Friday, September 26, 2014

আপনার কম্পিউটারের ফোল্ডার Icon সাজান বিভিন্ন রঙ দিয়ে

সবাই কেমন আছেন আসা করি সবাই ভাল আছেন ।
আজকে আমি আপনাদের একটা মজার সফটওয়্যার দিব ।
যদিও অনেকে জানেন । যারা জানেন না তাদের জন্য আমার শেয়ার করা ।
আমাদের কম্পিউটারে যারা উইন্ডোজএক্স-পি, ভিস্তা বা ৭ ব্যবহার করি তার ফোল্ডার আইকন হলুদ রংয়ের থাকে।
ফোল্ডার হাইলাইট (FolderHighlight) ব্যবহারকরে রং পরিবর্তন এবং টুল টিপ যুক্ত করতে পারি।

ফোল্ডার হাইলাইট(FolderHighlight)এর মাধ্যমে আপনি যেকোনো ফোল্ডারের রং পরিবর্তন করতে পারবেন । যদিও উইন্ডোজের মাধ্যমে ফোল্ডার আইকন পরিবর্তন করা যায় কিন্তু ফোল্ডার হাইলাইট (FolderHighlight) দিয়ে এক্সপ্লোরারের রাইট ক্লিক মেনুর মাধ্যমে রং পরিবর্তন করা যায়।
কিভাবে ব্যবহার করবেন?

ফোল্ডার হাইলাইট (FolderHighlight)ব্যবহার করা খুবই সহজ আপনি আপনার কম্পিউটার যতটুকুই জানুন না কেন।
ফোল্ডারের রং পরিবর্তন করতে, মাউস দিয়ে যে ফোল্ডারের রং পরিবর্তন করবেন তাতে রাইট ক্লিক করুন।
তারপর কনট্যাক্স মেনু থেকে ফোল্ডার হাইলাইট(FolderHighlight) সিলেক্ট করুন এবং উপযুক্ত রং নির্বাচন করুন।

যেসকল অপারেটিং সিস্টেম সাপোর্টকরে:
উইন্ডোজ ২০০০, উইন্ডোজ ২০০৩, উইন্ডোজ এক্স-পি,উইন্ডোজ ভিস্তা এবং উইন্ডোজ ৭ এর x86 (৩২ বিট) এবং x64(৬৪বিট)
এবার সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করুন এইখান থেকে
তারপরও কোন সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন।
ফেসবুকে আমি

Friday, September 19, 2014

যেসব কারণে দ্রুতগতিতে হৃদরোগীর সংখ্যা বাড়ছে


আশ্চর্য হলেও সত্যি, সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে হৃদ্রোগের প্রকোপ সর্বোচ্চ হারে পৌঁছেছে। গত শতকের নব্বইয়ের দশকের শেষে বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা ও ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে দক্ষিণ এশিয়ায় ২০২০ সাল নাগাদ হৃদরোগের আক্রমণ ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে; কিন্তু বাংলাদেশে এই বৃদ্ধির হার এতই দ্রুত বিজ্ঞানীদের এই ধারণাকেও ছাড়িয়ে গেছে। এমনকি যেসব বাংলাদেশি বিদেশে অবস্থান করেন অর্থাৎ অভিবাসী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও হৃদ্রোগের আক্রমণ অনেক বেশি। হৃদ্রোগকে এতকাল আমরা ধনীদের রোগ বলেই জানতাম, বিলাসী জীবনযাপন ও অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণকে এর প্রধানতম কারণ বলে ধরা হতো, কিন্তু কী এমন বিষয় রয়েছে যে এই দরিদ্র দেশের আধপেটা খাওয়া মানুষের মধ্যেও হৃদ্রোগ এমন মহামারি হয়ে দেখা দিচ্ছে? এটি খুবই ভাবার বিষয়।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের আইসিডিডিআরবি ও জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট যৌথভাবে এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে একটি বড় গবেষণা পরিচালনা করে, যা ব্রেভ স্টাডি (বাংলাদেশ রিস্ক অব একিউট ভাসকুলার ইভেন্টস) নামে পরিচিত। এই গবেষণায় উঠে এসেছে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। যেমন: এক. বাংলাদেশে হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের গড় বয়স হচ্ছে ৫২ বছর। এর মানে হৃদরোগের আক্রমণে অপেক্ষাকৃত অল্প বয়সী ও উৎপাদনশীল একটি অংশ কর্মদক্ষতা হারাচ্ছেন। এর অর্থনৈতিক প্রভাব বিশাল।

দুই. জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ১২ শতাংশই নারী। বাংলাদেশি নারীদের মধ্যে হৃদরোগের  এই উচ্চ হার আমাদের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দেয় এ কারণে যে এ দেশে এই নারীরা সামাজিক ও অর্থনৈতিক কারণে সঠিক ও যথাযথ সময়ে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।

তিন. বেশির ভাগ আক্রান্ত ব্যক্তির বডি মাস ইনডেক্স (উচ্চতা অনুসারে ওজনের পরিমাপ) স্বাভাবিক মাত্রার মধ্যেই পড়ে—২২.৬। ওজনাধিক্য ও স্থূলতাকে হৃদরোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে ধরা হলেও এঁদের মোটে ৪ শতাংশ রোগী স্থূল। এই তথ্য আমাদের প্রচলিত ধারণাকে পাল্টে দিচ্ছে। তবে এক-তৃতীয়াংশ রোগী ওজনে বেশি না হলেও তাঁদের পেটের মাপ  স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। তার মানে আমাদের এখানে ঝুঁকি নির্ণয়ে ওজন নয় বরং পেটের মাপ বা ওয়েস্ট হিপ অনুপাতও বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচ্য হবে।

চার. গবেষণায় অংশ নেওয়া প্রতি ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনই দিনে ১০ মিনিটেরও কম সময় কঠিন পরিশ্রম করে থাকেন। অর্থাৎ অলস ও কর্মহীন জীবনযাপন একটি বড় ঝুঁকি।

পাঁচ. হৃদরোগের আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৮০ শতাংশ কোনো না-কোনোভাবে তামাক সেবন করে থাকেন। পুরুষেরা বিড়ি, সিগারেট, হুক্কা এবং নারীরা গুল, তামাক, সাদাপাতা ও জর্দা ব্যবহার করে থাকেন।

ছয়. খাদ্যাভ্যাস যা-ই হোক না কেন, বেশির ভাগের রক্তে ক্ষতিকর এলডিএল কোলেস্টেরল বেশি এবং ভালো কোলেস্টেরল এইচডিএলের পরিমাণ কম। এ ছাড়া যাঁরা বাড়িতে ও কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা স্ট্রেস মোকাবিলা করেন, তাঁরাও অধিক ঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন।

সাত. রক্তে ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ যেমন আর্সেনিক, কপার ও মার্কারির মাত্রা সরাসরি হৃদরোগের  আক্রমণের সঙ্গে জড়িত। বিশেষ করে আর্সেনিকের ঝুঁকি রক্তে চর্বির আধিক্যের মতোই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আট. সাধারণত বাংলাদেশি খাদ্যাভ্যাস অর্থাৎ অধিক শর্করা (যেমন ভাত, চিনি ও মিষ্টিদ্রব্য) হৃদরোগের  ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত, কিন্তু যাঁরা নিয়মিত মাছ খান, তাঁরাও এই ঝুঁকির মধ্যে পড়েছেন। এই তথ্যও আমাদের প্রচলিত ধারণার পরিপন্থী। এর একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে মাছে ব্যবহৃত নানা রাসায়নিক বা বিষাক্ত পদার্থের, বিশেষ করে ফরমালিন ও আর্সেনিকের উপস্থিতি। এ ছাড়া বাংলাদেশে মাছ রান্নার প্রচলিত পদ্ধতিও কিছুটা দায়ী। অতিরিক্ত তেলের ব্যবহার, অনেকক্ষণ ধরে মাছ ভাজা ও রান্না করার কারণে মাছের গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায়।

ব্রেভ স্টাডি থেকে আবিষ্কৃত নতুন ধরনের ও অপ্রচলিত তথ্য-উপাত্ত ইতোমধ্যেই বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এই গবেষণার তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের মানুষের জন্য থাকল কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ।

 তামাকের ব্যবহার সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলুন। নারীদের মধ্যে গুল, জর্দা বা তামাক ব্যবহার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছে নারীদের হৃদরোগ। আর সরাসরি ধূমপানের মতো পরোক্ষ (পাবলিক জায়গায় বা অন্যের সামনে) ধূমপানও সমান ক্ষতিকর।ওজন স্বাভাবিক থাকলেও পেটের মাপের দিকে মনোযোগী হন। পেটের মেদ বা ভুঁড়ি বাড়ে অতিভোজন ও কম পরিশ্রমের কারণে। গড়পড়তা বাংলাদেশি নারী-পুরুষ খুবই কম কায়িক শ্রম করে থাকেন। বিশেষ করে শহর ও শহরতলির মানুষের মধ্যে এর পরিমাণ আরও কম। শহর অঞ্চলে হাঁটার জন্য খোলা মাঠ, পার্ক বা ওয়াকওয়ে বাড়াতে হবে, খেলাধুলা, বাইসাইকেল চালনা বা সাঁতার কাটার মতো পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

সহজ শর্করা যেমন চিনি ও মিষ্টি, সাদা চালের ভাত, সাদা পাউরুটি খাওয়া কমিয়ে দিন। ভাজা ও ফ্রাই খাবার, গরু খাসির মাংস, কোমল পানীয়, কেক পেস্ট্রি, বিস্কুট, ফাস্ট ফুড ইত্যাদিও এড়িয়ে চলুন। আমিষের উৎস হিসেবে ডাল ও পোলট্রি বেছে নিন। খাবারে ও রান্নায় লবণের পরিমাণ যথাসম্ভব কমান।

গবেষণা বলছে যে বাংলাদেশের খাদ্যশৃঙ্খলে বিষাক্ত রাসায়নিকের অনুপ্রবেশ ঘটেছে ও দৈনন্দিন খাবার যেমন চাল, ভাত বা সবজিকে দূষিত করেছে। যত দ্রুত সম্ভব এই খাদ্যদূষণ রোধে কঠোরতম পদক্ষেপ নিতে হবে এবং এ বিষয়ে ব্যাপক জনমত সৃষ্টি করতে হবে।

হৃদরোগের  মতো একটি ব্যয়সাপেক্ষ ও জটিল সমস্যাকে মোকাবিলা করার মতো যথেষ্ট প্রস্তুতি আমাদের নেই। অথচ এ অঞ্চলের মধ্যে দ্রুততম হারে বেড়ে চলেছে এই সমস্যা। তাই প্রতিরোধই এই মুহূর্তে সর্বোত্তম পন্থা।

জিপি ফ্রী নেট ফর All + HTTPS সমস্যার সমাধান (মেগা পোস্ট)

কেমন আছেন সবাই ? মন ভালো না থাক্লেও আমি এখন আপনাদের মন ভালো করে দিবো ।
হুম ঠিক তাই,আপনারা হয়তো জানেন যে জিপি তে ফেইসবুক ফ্রি করে দিয়েছে। আর এই ফ্রি Server-টা কেই কাজে লাগিয়ে আমরা ফ্রি ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে পারি।
হ্যা, তাই আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম All in One পোস্ট। মানে এক পোস্টেই আমি আপনাদের জন্য Jaba/Symbian/Android/Windows-এর ট্রিক্স নিয়ে এলাম।
তাহলে চলুন একে একে ট্রিক্স গুলো দেখে নিই-
3G স্পিড পেতে আপনাকে জিপিতে 3G প্যকেজ এক্টিভ করে নিতে হবে। 3G ক্লিক প্যক এক্টিভ করতে ডায়াল করুন *111*6*1*1*1*1# অথবা আপনার ফোনে টাকা পয়সা না থাকলে *111*6*1*3*1*1# ডায়াল করে p1 প্যাকেজ টা এক্টিভ করে নি
ট্রিক্স ফর Java/Symbian: 
Java ব্যাবহার কারিরা এই prov ফাইলটা নামিয়ে নিন এখান থেকে
Opera টা নামিয়ে নিন এখান থেকে
এবার Symbian User-রা নিচের সেটিং টা করে নিন-
Name: Gp free
proxy:127.0.0.1
port:8080
apn:gpwap
home page:amartrick2all.
এবার Simple Server টা ডাউনলোড করে নিন এখান থেকে
SS টা ওপেন করুন এবং কিছুক্ষন আগে যে সেটিং টা করলেন সেটা দিয়ে Connect করুন। এবার যে কোন Software ফ্রি চালাতে পারবেন এই সেটিংস দিয়ে।
ট্রিক্স ফর Android: 
প্রথমে আপনার মোবাইলের settings থেকে mobile networks-এ গিয়ে ১টা নতুন access point তৈরি করুন নিচের মত করে-
Neme:Gp Free
apn:gpinternet
proxy:141.0.11.253
port:80
homepage:amartrick2all.blogspot.com
এবার Yendex Opera টা নামিয়ে নিন এখান থেকে
Yendex Unloack Code: http://www.nextwap.net
Yendex Opera Settings
front query: m.facebook.com @ [@ এর আগে Space দিতে ভুলবেন না ]
বিঃদ্র্যঃ এই ভাবে Android/Symbian-এ আপনি রাত ১২ টা থেকে সন্ধা ৬ টা পয্যন্ত চালাতে পারবেন।
ট্রিক্স ফর পিসি: 
পিসি তে অনেকেই ফ্রি নেট চালাচ্ছেন Simple Server দিয়ে। তবে এই ভাবে চালালে HTTPS সাইটে Allow হয় না। আজ আমি আপনদের এই সমস্যার সমাধান দিব।
আমি আপনাদের কে ১টা HTTPS Supported PP দিবো। এই Portable Proxy দিয়ে সকল সাইটে ব্রাউস করতে পারবেন আর ডাউনলোড তো থাকছেই।
 Portable Proxy-টা নামিয়ে নিন এখান থেকে
সব সেটিংস আগের মতই থাকবে আর PP সম্পকে সবাই জানেন, তাই আর পোস্ট বড় করলাম না।
সবাই আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
আর যদি বুঝতে কোন সমস্যা হয় তাহলে আমাকে জানান।

Thursday, September 18, 2014

আপনার ওয়াপসাইটের জন্য একদম ফ্রীতে করে নিন ১০০০ টির বেশি বেক লিঙ্ক


আশাকরি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আজ আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে আপনার ওয়াপসাইটের জন্য একদম ফ্রীতে  করে নিন ১০০০ টি বেক লিঙ্ক  নিতে পারেন।
প্রথমে এই লিঙ্ক এ জান নিচের ছবিটির  মত একটা পেজ আসবে ...।

তারপর ...... Enter URL এ আপনার ওয়াপ সাইটের নাম টি দিয়ে submit করেন...।



এখনি আপনার Windows 7 কে Genuine করে নিন

কেমন আছেন আপনারা। আশা করছি মহান আল্লাহ তায়ালা সবাইকে খুব ভালো রেখেছেন। সবাই ভালো থাকলেই ভালো লাগে। তো অনেক কথা হয়েছে এবার মূল কথায় আসা যাক।
মূল কথা হল বর্তমানে বাংলাদেশে অধিক সংখ্যক লোক Windows 7 ব্যবহার করে। যদিও খুব সম্প্রতি Windows 9 রিলিজ হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। যাই হোক আমরা যারা Windows 7 ব্যবহার করি তারা Windows 7 ব্যবহার করি ঠিকই কিন্তু Genuine করতে পারি না।
তাই আজ আমি আপনাদের এমন একটি সফটওয়্যার দিব যা দিয়ে আপনি আপনার Windows 7- কে Genuine করতে পারবেন। এই সফটওয়্যারটির নাম হল Windows 7 Loader । এটির ব্যবহার তেমন কোন জটিল বিষয় নয়। খুব সহজেই আপনি আপনার Windows 7 কে Genuine করতে পারবেন।
ব্যবহারের নিয়ম====>
১. প্রথমে এখান থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন।
২. তারপর এটি Extract করে নিন।
৩. এখন আপনি .exe ফাইলটা ইন্সটল দিন।
৪. হয়ত Restart চাইতে পারে, যদি চাই তাহলে দিবেন।

বাজারে আসলো সিমফোনি ব্যান্ড এর নতুন স্মার্টফোন Xplorer P10

কিছু দিন যাবত বাজারে এসেছে সিমফোনি ব্যান্ড এর নতুন স্মার্টফোন । দেখে নেয়া যাগ ফোন সম্পর্কে মোটামুটি বিস্তারিত
Symphony Xplorer P10
Xplorer P10-Front-600x500
Xplorer P10-Back-600x500
Xplorer P10-Full View-600x500
কি কি আছে এই xplorer p10 এ -
  • অপারেটিং সিস্টেম : Android 4.4.2 Kitkat
  • 5.5” HD IPS ডিসপ্লে
  • HD (1280*720)
  • ক্যামেরা : MP + 2MP
  • 1.5 GHz Hexa কোর
  • র‍্যাম   1 GB & ROM 8 GB
  • 3G ,EDGE,Wi-Fi, GPS
  • Dual micro SIM
  • G-sensor, Accelerometer sensor, Proximity & Magnetic sensor
মোবাইল ফিচার -
ওএসAndroid 4.4.2 কিটক্যাট
ডিসপ্লে সাইজ5.5” HD IPS Display
ক্যামেরা8 MP + 2MP
মাল্টিমিডিয়াMP3, MP4, FM
ডাটা সার্ভিস3G,EDGE,Wi-Fi
ফোন বুকUnlimited
ফিচারবর্ননা
ডিসপ্লে রিলেশনHD (1280*720)
সিপিইউ1.5 GHz Hexa Core
জিপিউMali 450
ইন্টারনাল মেমরিRAM 1GB
স্টোরেজROM 8GB. Expandable up to 32 GB
ক্যামেরাAuto focus, continuous shot
ব্যাটারি2400mAh Li-Poly Battery
ডাবলু ল্যানWi-Fi 802.11, Wi-Fi Hotspot
জিপিএসYes
Stand by time*500 hours (depends on phone settings & network)
্কথা বলারসময় সীমা5 hours (depends on phone settings & network)
অডিও প্লেয়ার.3gp, .mp4, .m4a, mp3, .ogg, .wav, .mid, .aac
অডিও রেকোডার.amr
ভিডিও প্লেয়ারAVI, 3GP, MP4 1080P(1920*1080)
ভিডিও রেকোডার3GP
3.5 mm jackYes
অনান্য ফিচারDescription
AGPSYes
Dimension157.3mm X 77.6mm X 7.9mm
RecorderAudio, video & call recorder
BluetoothYes
USB Mass storageYes
USB ModemYes
MMSYes
EmailYes
Built in ApplicationsFacebook, Play Store, Skype, YouTube, Wechat
Special FeaturesG-sensor, Accelerometer sensor, Proximity & Magnetic sensor

বাংলাদেশের মার্কেট প্রাইজঃ ১৫৯৯০ টাকা

আসা করি সবাই ভাল থাকবেন ।

Tuesday, September 16, 2014

একই ছবিতে দুই-দেশের চার নায়ক-নায়িকা


দুই দেশের চার নায়ক-নায়িকা নিয়ে আসছে এবার পর্দা কাপাতে ছবি। ঢালিউড কিং শাকিব খানের বিপরীতে কলকাতার শ্রাবন্তী অভিনয় করছেন এ খবর এখন অনেকেরই জানা। এবার পাওয়া গেলো অপু বিশ্বাসের নায়ক। জানা গেছে অপু বিশ্বাসের বিপরীতে অভিনয় করবেন কলকাতার সুপারস্টার অভিনেতা জিৎ।
ঈদে মুক্তি পাওয়া হিরো দ্য সুপারস্টার ছবির পর নতুন ছবি প্রযোজনা করতে যাচ্ছেন শাকিব খান। এবার শাকিব খানের প্রযোজনা সংস্থা এসকে ফিল্মসের সঙ্গে যৌথভাবে ছবিটি প্রযোজনা করবে কলকাতার একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান।
যৌথ প্রযোজনার ছবিটিতে ঢালিউড ও টালিউডের চারজন সুপারস্টার অভিনয় শিল্পীকে দেখা যাবে একসঙ্গে। জানা গেছে থাইল্যান্ডে শুটিং করতে গিয়ে শাকিব খানের সঙ্গে কথা হয় কলকাতার নির্মাতা রাজিব বিশ্বাসের।
ছবিটির পরিকল্পনা নিয়ে রাজিব বিশ্বাস কিছুদিন আগে ঢাকা ঘুরে যান। এরপর শাকিব খানও কলকাতা সফর করেন। এ সময় শাকিব খান নায়িকা হিসেবে শ্রাবন্তীর কথা বলেন। অপু বিশ্বাসের বিপরীতে কলকাতার দেব এবং জিৎ এর ব্যাপারে কথা হয়।
টালিগঞ্জের সুপার হিরো দেব এখন ফিল্মের পাশাপাশি রাজনৈতিক কাজে ব্যস্ত থাকায় চিত্রনায়ক জিৎকেই অপু বিশ্বাসের নায়ক হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়। ছবিটি পরিচালনা করবেন ঢাকার বদিউল আলম খোকন এবং কলকাতার রাজিব বিশ্বাস। শিগগিরি ছবিটির শুটিং শুরু হবে।

শক্তিশালী পাসওয়ার্ড বানিয়ে নিন এক ক্লিকে নিমিষেই


অনলাইনে বিভিন্ন একাউন্ট যেমনঃ ফেসবুক, গুগল, ইত্যাদি ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ সাইটে আপনার একাউন্ট শক্তিশালী রাখতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড এর বিকল্প নাই। এসব একাউন্টে বিশেষ করে ফেসবুকের আইডি সহজ অনুমানযোগ্য পাসওয়ার্ড এর কারণে প্রায়ই হ্যাকিং এর শিকার হচ্ছে। শুধু শক্তিশালী পাসওয়ার্ড থাকলেই আইডী হ্যাক হবে না এটা বলাও হাস্যকর। বিভিন্ন সিকিউরিটি টিপস মেনে সাথে একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে আইডি হ্যাকিং হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।
একটি জিনিস লক্ষ্য করে থাকবেন যে, আমাদের কাছে ফেসবুক একাউন্টটি খুব প্রিয় কিংবা গুরুত্বপূর্ণ মনে হলেও তাঁর সিকিউরিটির জন্য আপনি সজাগ না। আর বাংলাদেশে আরও একটি ব্যাপার লক্ষ্য করা যায়, সাধারণ অনলাইন ব্যবহারকারীরা প্রায় সবসময় তাদের মোবাইল নম্বর পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। অন্য অপরিচিত কেউ সেই পাসওয়ার্ড অনুমান করুক আর নাই করুক অন্তত নিজের বন্ধু বান্ধব সেটা সহজেই অনুমান করে চলে। এই কথাগুলো এমনিতেই বলে যাচ্ছিনা। নিজের অভিজ্ঞতাতেই বলছি। আমার বন্ধুরা প্রায় সবাই নিজের মোবাইল নম্বরটি  পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করে। আমি এটাও অনুমান করে বলতে পারি আপনাদের অনেকেই নিজের মোবাইল নম্বর কিংবা অন্যান্য সংখ্যাবাচক সহজ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু অনলাইন একাউন্টের নিরাপত্তার জন্য যা মোটেও উচিৎ নয়।
এছাড়া নিজের ওয়েব সাইট হ্যাকারদের হাত থেকে রক্ষা করতে অধিক শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করার গুরুত্ব আর বাড়িয়ে বলার প্রয়োজন নেই। আজ শেয়ার করব একটি টুলস যা দিয়ে আপনি অনেক শক্তিশালী সব পাসওয়ার্ড অটোমেটিক তৈরি করতে পারবেন এক ক্লিকে। পাসওয়ার্ড গুলো আসলে দেখতেই অনেক দুর্বোধ্য। সেখানে মনে রাখা তো অনেক বিশাল ব্যাপার। তবুও আপনি নিরাপত্তায় যদি কোন ছাড় না দিতে চান তাহলে এই টুলস দিয়ে অনেক শক্তিশালী শক্তিশালী দুর্বোধ্য পাসওয়ার্ড বানিয়ে নিতে পারবেন। পাসওয়ার্ডগুলো আপনি কম্পিউটারের নোটপ্যাডে সেভ করে রাখতে পারেন একাউন্টে লগিন করার জন্য। এই টুলস দিয়ে আপনি ৮ থেকে ১০০ সংখ্যার যেকোন পাসওয়ার্ড তৈরি করতে পারবেন।
  • নিচে একটি Strong Password Generator বক্স দেখতে পারবেন। 
  • সেখানে পাসওয়ার্ড তৈরিতে বিভিন্ন অপশন আছে। সেগুলো চাহিদামত সিলেক্ট করুন এবং কত সংখ্যার পাসওয়ার্ড বানাতে চান সেটি Lenth নামের ঘরে বসিয়ে Generate Strong Password বাটন ক্লিক করুন।
  • তারপর সাথে সাথেই পেয়ে যাবেন একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড। 
  • যদি পাসওয়ার্ডটি পছন্দ না হয় তাহলে Generate Strong Password বাটনটি বার বার ক্লিক করুন। তাহলে প্রতি ক্লিকেই একটি করে নতুন পাসওয়ার্ড পাবেন।
  • যে পাসওয়ার্ড নিতে চান সেটি বেছে নিন। 

Your new password is:
[password will appear here]
Options:
আপনার একাউন্ট নিরাপদ থাকুক সে কামনায় শেষ করছি আজকের পোস্ট। ধন্যবাদ আপনাদের সবাইকে।

মোজিলা দিয়ে এখন কল করুন। ( Voice & Video )

মোজিলা দিয়ে এখন কল করা যাবে ( Voice & Video )। ছবি গুলো দেখে নিন। কিন্তু সব আগে  Update করে নিবেন।
http://www.filehippo.com/download_firefox
Install করা শেষে সেটিংস্‌ ...ছবি গুলো  follow করুন। সব শেষ হলে dial option এ click করুন। এখন একটা লিঙ্ক পাবেন । আপনার বন্ধুদের সেই লিঙ্কটা দিয়ে মোজিলা থেকে ঢুকতে বলুন র কোন ঝামেলা ছাড়া কথা বলুন। Android  থেকে Pc/Laptop এ কথা বলে দেখেছি বাংলালিঙ্ক 3G দিয়ে।  এ জন্য Android এ  মোজিলা থাকা লাগবে।
https://play.google.com/store/apps/details?id=org.mozilla.firefox









Monday, September 15, 2014

ভারতীয় সিরিয়ালের কয়েকটি সত্য গাঁজাখুরি ব্যাপার পড়ুন, মজা পাবেন

ভারতীয় সিরিয়ালগুলোর আগ্রাসনে দেশীয় ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি ইতিমধ্যেই হুমকির মুখে। আমাদের দেশের নারীরা সন্ধ্যার পরেই পৃথিবীর সব কাজ বাদ দিয়ে টিভির সামনে বসে পড়েন শুধু মাত্র ভারতীয় সিরিয়াল দেখার নেশায়। ভারতীয় সিরিয়ালের গতানুগতিক এবং আজগুবি কাহিনীগুলো বছরের পর বছর মুগ্ধ হয়ে দেখছেন অধিকাংশ নারী। বাস্তব জীবনে কখনই হওয়া সম্ভব না এমন ঘটনাগুলোই নিয়মিত দেখতে দেখতে একটা পর্যায়ে মগজ ধোলাই হয়ে যেতে থাকে তাদের। ফলে কোনটা বাস্তব আর কোনটা গাঁজাখুরি সেই পার্থক্য করার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেন ভারতীয় সিরিয়ালের নিয়মিত দর্শকরা। জেনে নেয়া যাক কিছু আজগুবি এবং অসম্ভব ঘটনা সম্পর্কে যেগুলো অহরহই দেখানো হচ্ছে ভারতীয় সিরিয়ালে।
ভারতীয় সিরিয়ালের কয়েকটি সত্য গাঁজাখুরি ব্যাপার পড়ুন, মজা পাবেন

১) নায়ক নায়িকা প্রেম করে বিয়ে করে। কিছুদিনের মাঝেই শুরু হয় সন্দেহ এবং অশান্তি, পরিণতি হয় ডিভোর্স। এরপর নায়ক বিয়ে করে নায়িকার বোনকে। এরপর নায়ক তার ভুল বুঝতে পারে এবং অনেক জটিলতার অবসান ঘটিয়ে হয় দুই বৌকেই রাখে, না হয় নায়িকার বোনকে আবারও ডিভোর্স দিয়ে পুনরায় বিয়ে করে নায়িকাকে।

২) অনেক বড়লোক ব্যক্তি হঠাৎ করেই গরিব হয়ে যায় কুচক্রীদের ষড়যন্ত্রে। ফলে ঘরবাড়ি সব বিক্রি করে দেয় সেই খারাপ লোকের কাছে। অতঃপর থাকার কোনো যায়গা না পেয়ে চাকর হিসেবে থাকে সেই ব্যক্তির ঘরে!

৩)নারীরা ঘুমায়, গোসল করে এবং খায় ভারী গহনা আর জমকালো পোশাকে। কখনই মেকআপ ফ্যাকাসে হতে দেখা যায়না তাদের।

৪) একজন পুরুষের জন্য ৫/৬জন নারীর আকর্ষণ লক্ষ্য করা যায়। এই একজন পুরুষকে ঘিরেই চলতে থাকে নারীদের কুটনামি।

৫) সন্তান হওয়া মানেই বিশাল বিপদ। এক্ষেত্রে সম্ভাব্য যেসব বিপদ হতে পারে সেগুলো হলো – বাচ্চার বাবা স্বীকার করবে না এটা তার সন্তান, গর্ভাবস্থায় সিড়ি থেকে পড়ে যাওয়া, জন্ম দিয়ে গিয়ে মায়ের মৃত্যু, হাসপাতালেই বাচ্চা হারিয়ে যাওয়া।

৬) নাটকের সংলাপের চাইতে ব্যাকগ্রাউন্ডের মিউজিক অনেক বেশি।

৭) নাটকের মূল নায়িকার জীবনটা কখনই সুখের হয়না। তার জীবনে ‘সুখ’ শব্দটার উপস্থিতি কখনই রাখা হয়না ভারতীয় সিরিয়ালে।

৮) নানি-দাদিরা নাতি-পুতি এবং এর পরের বংশধরদেরকেও দেখে যেতে পারেন বেশ সুস্থ সবল ভাবেই।

৯) সব নাটকের একটিই মন্দির থাকে। এবং কাউকে খুঁজতে হলে এই মন্দিরে গেলেই খুঁজে পাওয়া যায়।

১০) সিরিয়ালের নায়ক/নায়িকা মারা গেলে পরিবারে নেমে আসে দুঃখ। কিন্তু কিছুদিন পরেই জানা যায় যে সে আসলে মারা যায়নি। নায়ক/নায়িকা প্লাস্টিক সার্জারি করে বদলে ফেলানো চেহারা অথবা আগের চেহারা নিয়েই ফিরে আসে পরিবারের কাছে।

১১) প্রতিটি সিরিয়ালেই হয় ঘরের বৌ খারাপ হয় না হয় শাশুড়ি। একসঙ্গে বৌ-শাশুড়ি দুজনই ভালো, এই দৃশ্য দেখা যায় না ভারতীয় সিরিয়াল গুলোতে।

১২) ছেলে বৌ, শাশুড়ি এবং দাদী শাশুড়ির বয়সে তেমন কোনো পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় না।

১৩) অশুভ কিছু ঘটা মানেই প্রদীপের বাতি নিভে যাওয়া অথবা হাত থেকে কিছু পড়ে

অ্যান্ড্রয়েড থেকেই ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করুন যেকোন ফরম্যাটে ফ্রি

 
অনেক তো ডাউনলোড করেছেন ইউটিউব ভিডিও কম্পিউটার থেকে। কিন্তু লক্ষ্য করলাম অ্যান্ড্রয়েড আমাদের বেশিরভাগ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর জীবনের সঙ্গী। কারো পিসি নেই, আবার কারো পিসি থাকা সত্ত্বেও হাতের স্মার্টফোনেই বেশি সময় কাটানো হয়। যাই হোক। আজ পিসি থেকে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোডের পায়তারা নয় আজ তরিকা দিচ্ছি আপনার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন থেকেই ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করার সহজ উপায়। ভিডিও হলেই তো হল না আপনি পারবেন সেই ইউটিউব ভিডিও যেকোন ফরম্যাটে ডাউনলোড করতে। আর সোশ্যাল সাইটে শেয়ারিং এর সুবিধা তো থাকছেই। আর অ্যান্ড্রয়েডে এরকম মহা মহা কাজ করা সম্ভব শুধুমাত্র অ্যাপসের বদোউলতে। অ্যাপস ছাড়া অ্যান্ড্রয়েডই যেন খেলনা মোবাইল। আর তাই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসের বাহিরে গিয়ে আমরা বেশিদূর দৌড়াতে পারবনা। আজও তেমন। শেয়ার করছি একটি ছোট সাইজের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস। আর যা দিয়ে যেকোন ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করে ফেলুন যেকোন ফরম্যাটে। ব্যবহার তো একদম সোজা। ও হো! অ্যাপসের নামটাই কিন্তু বলা হয়নি এখনও। আর আমি এখনই ডাউনলোড লিংক দিতে যাচ্ছিলাম। অ্যান্ড্রয়েডের এই অ্যাপসটির নাম Videoder । কিন্তু ব্যবহার করব কিভাবে? পানি যেভাবে সহজে খেতে পারেন। এটি ব্যবহারও তেমনি সোজা। প্রথমে ডাউনলোড করে নিন, তারপর শুধু অ্যাপসটি চালু করেই ইউটিউবের যে ভিডিও ডাউনলোড করতে চান সেটার নাম দিয়ে সার্চ দিন। রেজাল্ট পেয়ে গেলেই সেটায় ক্লিক করে কোন ফরম্যাটে ডাউনলোড করতে চাচ্ছেন সেটি সিলেক্ট করে দিন আর ডাউনলোড হওয়া পর্যন্ত ঘুম পাড়ুন। ব্যাস, ডাউনলোড শেষ হয়ে গেলে ঘুম থেকে উঠে উপভোগ করুন ভিডিওটি। ঘুম পাড়ার কথা বললাম এজন্য যে আমরা বিশেষ করে কচ্ছপ গতির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা কখনই ঘুম পাড়া ছাড়া কোন দিন কিছু ডাউনলোডের কথা চিন্তাই করতে পারেনা। আর যাদের গতি হেব্বি ফাস্ট তাদের ঘুম পাড়ার কোন দরকার নাই। ডাউনলোড লিংক না দিয়ে মজা করা শুরু করছি। এর আগে আমি শুধু প্লে স্টোরের ডাউনলোড লিংক দিতাম আর এজন্য অনেক ভাই ব্রাদারের প্যাচাল শুনছি। প্যাচাল শোনার দিন শেষ। দিন বদলাইছে না? এইবার দিলাম গুগল প্লে ছাড়াও পুরা ডাইরেক্ট লিংক। ক্লিক করাতেই শুরু ডাউনলোড। দেখি এবার কে চিল্লাচিল্লি করে।
যার যেটা লাগে ডাউনলোড করে নেন।
ধন্যবাদ।

দেখে নিন চোখ উঠলে কি করবেন !!

সংবাদপত্রে দেখলাম দেশের বিভিন্ন জায়গায় চোখ ওঠা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। তাই ভাবলাম এটা নিয়েই কিছু লিখি। চোখ ওঠা রোগটি নিয়ে অনেক ভুল ধারনা আমাদের মাঝে রয়েছে। তাই আমাদের এ বিষয়ে একটু জানতে হবে।
প্রথমেই আসি এই চোখ ওঠা রোগ টা আসলে কি? চোখ ওঠা রোগটা মুলত কনজাংটিভাইটিস নামক একটি স্পর্শ কাতর রোগ। কনজাংটিভা নামে চোখের একটি পর্দা আছে। এই রোগে এই কনজাংটিভা পর্দায় প্রদাহ বা ব্যাথা হয়। এই রোগের মূল কারন ভাইরাস হলেও ব্যাকটেরিয়া বা অ্যালার্জির কারনেও চোখ উঠতে পারে। তবে এটা প্রচণ্ড ছোঁয়াচে। অনেকের মাঝেই একটা ভ্রান্ত ধারনা আছে যে কারো যদি চোখ ওঠে তবে তার চোখের দিকে তাকালে চোখ ওঠে। এটা একেবারেই ভুল ধারনা। এটি ছোঁয়াচে হতে পারে তাই বলে চোখের দিকে তাকালে হয় না।
PAGE-43
এখন আসি এই কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা রোগের লক্ষন বিষয়ে। চোখ উঠলে সাধারনত চোখ দিয়ে পানি পড়ে, চোখ লাল হয়ে যায়, অনেক সময় চোখের পাতা ফুলে যায়, কারও চোখের কর্নিয়া আক্রান্ত হলে তার দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায় এবং আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।
লক্ষন তো জানলেন এবার আসেন জেনে নেই কিভাবে এই রোগ ছড়ায়, কেননা সেটা জানা থাকলে পূর্ব প্রস্তুতি নিতে সুবিধা হবে। যদি কারো চোখ ওঠে তবে তার অশ্রুতে অর্থাৎ চোখের পানিতে ভাইরাসেরা ভেসে বেড়ায়। এসময় চোখ দিয়ে পানি পরে তাই আক্রান্ত ব্যাক্তি ঘন ঘন চোখ মোছে। ফলে ভাইরাসেরা সুযোগ পেয়ে আক্রান্ত ব্যাক্তির হাতে চলে আসে। সেই হাত দিয়ে আক্রান্ত ব্যাক্তি যেখানে স্পর্শ করে ভাইরাস সেখানে চলে যায়। যেমন কারো সাথে যদি করমর্দন বা হ্যান্ড শেক করে তবে তার হাতেও এই ভাইরাস চলে যায়। এছারা টিভির রিমোট, চায়ের কাপ, মুঠোফোন, লাইট বা ফ্যান এর সুইচ, বালিসের কাভার এগুলোর মাধ্যমে ও ভাইরাস একজন থেকে আরেকজনের কাছে চলে যেতে পারে।
এই ভাইরাস কিভাবে ছড়ায় তা তো জানলেন এখন আসুন জেনে নেই আক্রান্ত হলে কি করা যাবে। যেটা অতিব জরুরি তা হল একটা পরিস্কার রুমাল রাখতে হবে চোখ মোছার জন্য এবং সতর্ক থাকতে হবে অন্য কেও যেন এই রুমাল স্পর্শ না করে। চোখ চুল্কালে হাত দিয়ে চোখ ঘসার আগে হাত ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। চোখে বাইরের অপরিস্কার পানি দিয়ে ঝাপটা একেবারেই দিবেন না। পরিস্কার পানি না পেলে দরকার হলে একটা মিনারেল পানির বোতল কিনে নিন। চোখ যদি বেশি ফুলে যায় তবে বরফ ব্যাবহার করতে পারেন। আর বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যয় কালো চশমা পরে বের হবেন। এটা আপনাকে রোদ ও ধুলাবালি থেকে রক্ষা করবে। আর এগুলো করার আগে যেটা করবেন সেটা হল একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ দেখিয়ে ওষুধ খাবেন। সাধারনত ৩-৪ দিনের মধ্যে এই রোগ ভালো হয়ে যায়। কিন্তু অসতর্ক থাকার কারনে পরিবারের বা আক্রান্ত ব্যাক্তির বন্ধু বান্ধবের মাঝে ছড়িয়ে যায়। তাই সতর্ক থাকুন।

এবার ভিন্নভাবে স্ক্রিনশট নেন আপনার কম্পিউটারে


কেমন আছেন সবাই। আশা করছি সবাই ভালো আছেন। আপনারা ভালো থাকলেই তো আমরা টিউন করতে পারি। তো অনেক কথা হল এবার মূল কথায় আসা যাক।
আমরা এতো দিন আমাদের কীবোর্ডের Print Screen নামের কী চেপে স্ক্রিনশট নিয়েছি এবং তা Print অপশনে গিয়ে Save করেছি। এই যে স্ক্রিনশট নেয়া আর তা Print অপশনে গিয়ে পেস্ট করে তা Save করা অনেক ঝামেলা।
তাই আপনাদের কাজের সুবিধার্থে একটি ছোট সফটওয়্যার শেয়ার করলাম। আশা করছি আপনাদের কাজে দিবে।
এই  সফটওয়্যারটির নাম হল Greenshot. এই সফটওয়্যারটির সুবিধা হল...............
  • স্ক্রিনের যেকোন জায়গা থেকে স্ক্রিনশট নিতে পারবেন।
  • সহজেই Crop করা যায়।
  • আপনার হার্ডডিস্কে কম জায়গা নিবে কারণ এটি ছোট.
  • Greenshot ( 1.13 MB )
তো দেরি না করে এখনি ডাউনলোড করে নিন।

Download

ডাউনলোড করে নিন সিরিয়াল, ক্রা-ক, প্যা-চ মুক্ত আইডিএম ৬.২১.৯ প্রি-অ্যাক্টিভেট ভার্সন (ট্রায়াল ভার্সনের দিন শেষ)

আমরা অনেকেই আই ডী এম ট্রায়াল ভার্সন ব্যাবহার করি যার মেয়াদ মাত্র এক মাস । তারপর সিরিয়াল কী নিয়ে ঝামেলা করে। আই ডী এম এর এই ঝামেলার দিন শেষ।আজ আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম প্রি-অ্যাক্টিভেট আই ডি এম।আর মোটামুটি প্রি-অ্যাক্টিভেট সফটওয়্যার এর সুবিধা সম্পর্কে মোটামুটি সবারি ধারনা আছে। তো আর অপেক্ষা না করে  যার যার প্রয়োজন ঝটপট ডাউনলোড করে নিন সিরিয়াল, ক্রা-ক, প্যা-চ মুক্ত  আইডিএম ৬.২১.৯ প্রি-অ্যাক্টিভেট ভার্সন। আর নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন যত দিন ইচ্ছা ঠিক তত দিন। আশা করি এই ভার্সনটা আপনাদের উপকারে আসবে।
ডাউনলোড লিঙ্ক
ইন্সটল করার নিয়ম দেখে নিন
প্রথমে আপনার পিসিতে যদি কোন আই ডি এম ইন্সটল করা থাকে তাহলে পূর্বের আই ডী এম আনিন্সটল করে পিসি রিস্টার্ট দিন।তারপর আপনার ডাউনলোড করা প্রি-অ্যাক্টিভেট আই ডী এম সফটওয়্যার এর রার ফাইল এক্সটারট করে নিন।এরপর প্রি-অ্যাক্টিভেট আই ডী এম সফটওয়্যার এর  উপর ডাবল ক্লিক করুন
নিচের ছবি টি দেখুন First Name আমি SP দিয়েছি, আপনি আপনার ইচ্ছামত নাম দিতে পারবেন





নিচের ছবি টি দেখুন Last Name আমি P দিয়েছি, আপনি আপনার ইচ্ছামত নাম দিতে পারবেন





এরপর Next বাটনে ক্লিক করতে থাকুন। নিচের ছবিগুলো দেখুন










এরপর  Finish বাটনে ক্লিক করুন।




এরপর নিচের ছবির মত দেখালে Close করে দিন







এরপর নিচের ছবির মত দেখালে Ok বাটনে ক্লিক করুন।





আর নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন যত দিন ইচ্ছা ঠিক তত দিন।

আপনার এন্ড্রয়েডের জন্য “বাংলা ভয়েস ক্লক” বাংলাতে সময় বলাতে পারবেন ২৪ ঘণ্টায় প্রতি মিনিটে। বাংলাদেশের প্রথম বাংলা ভয়েস ক্লক !!

স্মার্ট ফোনের এই যুগে এন্ড্রয়েড ছাড়া চলা মুশকিল। (*আমার জন্য) তাই দেড় বছর যাবৎ এন্ড্রয়েডের সাথেই পথ চলা।
এখন কথা হল এই এন্ড্রয়েডের জন্য বাংলা ভয়েস টকিং ক্লক নেটে অনেক খুজা খুজি করেছি কিন্তু কোন সফ্ট পাইনি। যা পেয়েছি সবই ইংরেজী নয়তো অন্য ভাষায়। তাই নিজেই মাঠে নেমে পড়লাম একটা বাংলা টকিং ক্লক তৈরীতে। আলহামদুলিল্লাহ, তৈরী হয়েগেল বেস্ট এন্ড অল রাউন্ডার “বাংলা ভয়েস ঘড়ি” এটা শুধু কথা বলা ঘড়িই নয় বরং এলার্ম ঘড়ির কাজেও ব্যবহার করা যাবে। সাথে থাকছে ইচ্ছামত কাস্টমাইজ করার অপশন্স।
ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন
কী কী সুবিধা থাকছে ঘড়িটিতে? আসুন দেখেনেই সংক্ষিপ্তাকারে ।
  • বাংলাতে অটোমেটিক সময় বলে দেবে।
  • ২৪ ঘণ্টার প্রতি মিনিটে সময় বলে দিতে সক্ষম।
  • সময় বলার আগে আপনাকে সালাম দিবে।
  • নির্দিষ্ট সময় চাইলে সময় বলা বন্ধ রাখতে পারবেন।
  • সর্বোচ্চ কাষ্টমাইজেশন সুবিদা।
  • এটি এর্লাম ঘড়ি হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন।
  • আমার জানামতে এটি বাংলাদেশের প্রথম বাংলা টকিং ক্লক ( আপনার জানা অন্য কোন বাংলা টকিং app থাকলে আমাকে জানাবেন)
  • জিঞ্জার ব্রেড সহ সকল ভার্সনেই সার্পোটেড।
  • শুরুতে আপনার ইচ্ছামত সাউন্ড যুক্ত করতে পারবেন।
এছাড়াও এতে আরেো অনেক সুবিধা আছে । ব্যবহার করলেই বুঝতে পারবেন । আসুন এবার কিছু ব্যবহার  নিয়ম নীতি দেখে নেই।
  • কত মিনিট পরপর সময় বলবে তা নির্ধারণ করুন >সেটিংস>মুল সেটিং> মিনিট অন্তর অন্তর সময় বল> (১-৫৯ মিনিট পর্যন্ত) আমি দিলাম ৩০ মিনিট।
  • মেনুয়ালি সময় শুনতে হলে নীচের চিহ্নিত বাটনে টাপ করুন।







































  • এখন কথা হল
  • প্রতিবার সালাম শুনতে শুনতে হয়তো বিরক্তবোধ হতে পারে তাই এটি বন্ধ করতে নীচের সেটিং করুন। সেটিংস/স্পিকিং ক্লক সেটিং > এ গিয়ে “শুরুতেই সংকেত প্লে করুন” হতে ঠিক চিহ্নটি উঠিয়ে দিন।

এ্যাপল মানুষকে ফিরিয়ে নিচ্ছে হাত ঘড়ির যুগে… অসামান্য প্রাযুক্তিক উৎকর্ষতায়! একটি Apple Watch রিভিউ !!


একটা সময় ছিলো যখন মানুষ হাতঘড়ির সময় দেখে চলাফেরা করতো। তারপর যখন গত দশক থেকে মোবাইল ফোন জনপ্রিয় হলো, তখন মানুষ হাতঘড়ির বদলে মোবাইল ফোনের ঘড়ি দেখে চলতে অভ্যস্ত হয়ে গেলো।  কিন্তু এ্যাপেল সম্ভবত পরিকল্পনা করেছে মানুষকে আবার সেই হাত ঘড়ির সময়ে ফিরিয়ে নেবার। কিন্তু আরো আধুনিক, আরো বুদ্ধিদীপ্ত ও আরো আর্কষনীয়ভাবে।

কেন এ্যাপেল ওয়াচ তথা পরিধােযোগ্য প্রযুক্তির প্রতি ঝুকঁলো এ্যাপল?

ছবি - Shutter Stock
পৃথিবীতে খুব শীঘ্রই একটা সময় আসবে, মানুষের সমস্ত কাজ প্রযুক্তি করে দেবে শুধু করতে পারবে না একটা জিনিস। সেটা হচ্ছে, তাকে শারীরিকভাবে ন্যাচারালি ফিট রাখা। প্রযুক্তি মানুষকে ক্রমাগত এতই আরাম আর আয়েশ দিচ্ছে যে, ভবিৎষত পৃথিবীতে মানুষকে আক্ষরিক অর্থেই আর কোন কাজ করতে হবে না। মানুষ শুয়ে বসে দিন কাটাবে, ফলে বাড়বে তার অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করার সম্ভাবনা, শারীরিক ঝুকিঁ এমনকি মেদ হয়ে বা উচ্চ রক্তচাপে মৃত্যু ঝুকিঁও।
ঠিক সেই মহুর্তে মানুষের প্রয়োজন হবে এমন একটি বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবস্থার যেটা তার স্বাস্থ্যগত বিষয়ে তাকে সাহায্য করবে।প্রচন্ডরকম দূরদর্শী ও চৌকস এ্যাপেল কোম্পানি বেশ কয়েক বছর আগে কয়েক শ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে এইরকমই একটি ভবিৎষত-প্রযুক্তি নিয়ে গবেষনা করতে।
তারই ফলশ্রুতিতে ভবিৎষত পৃথিবীর স্বাস্থ্যসচেতন মানুষদের জন্য পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি নিয়ে শেষ পর্যন্ত মাঠে নামলো টেক জায়ান্ট স্বয়ং এ্যাপেল! হাত ঘড়ির মতো অতীব পুরনো একটা প্রযুক্তিও যে ভবিৎষত দুনিয়ার প্রযুক্তি হতে পারে এ্যাপেল ওয়াচ না দেখলে সেটা ধারনা করাও বেশ কঠিন ছিলো।
গত বছর যখন খবর পেয়েছিলাম যে এ্যপেল পৃথিবী বিখ্যাত কয়েকজন ফিজিশিয়ান, বায়োকেমিষ্ট, ফিটনেস এক্সপার্ট আর ন্যানো টেক ইঞ্জিনিয়ার তাদের কোম্পানিতে নিয়োগ দিয়েছে, তখনই আচঁ করতে পেরেছিলাম যে, এ্যাপেল নিশ্চয়ই এমন কোন ইলেকট্রিক ডিভাইস বানানোর কাজে হাত দিয়েছে যেটা মানুষের স্বাস্থগত বিষয়ে নজরদারি করবে। ভবিৎষত পৃথিবীতে মানুষের সব কাজ প্রযুক্তি করে দিলেও মানুষ যেন নিজেকে কর্মক্ষম বা যথাযথ সচল রাখার একটা তাগিদ অনুভব করে।
আইওয়াচ ঠিক তাই করবে, মানে একে এমন ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, নিয়মিত ব্যায়াম ট্যায়াম করা আপনার অভ্যাসে না থাকলেও সে কোন না কোনভাবে আপনাকে দিয়ে প্রয়োজনীয় এক্সারসাইজটুকু করিয়ে নেবে।কিছুক্ষন আগে অনেক জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে এ্যাপেল অফিসিয়ালি ঘোষনা দিলো Apple Watch রিলিজ করার, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা যার নাম দিয়েছে iWatch । তো এ্যাপেল ইতিমধ্যেই আইওয়াচএর ঘোষনা আর প্রেজেনটেশান দেখিয়ে বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। আমার তো ধারনা, আজকের এ্যাপেল ইভেন্টে, প্রাযুক্তিক উৎকর্ষে আইফোন ৬, প্লাস আর আইওএস ৮ কেও ছাপিয়ে গেছে আইওয়াচ।
উপস্খিত দর্শকরা নির্বাক বিস্ময়ে আইওয়াচের প্রেজেনটেশান দেখেছে এবং দেখা শেষ করে টুইটার আর ফেসবুকে ঝড় তুলেছে। সে সব দেখতে হলে এখানে ক্লিক করুনঃ] তাই ভাবছি iOS 8 বা iPhone 6/Plus নিয়ে তো অনেকেই জানেন, (যারা জানেন না তারা একটু গুগলে ঘাটঁলেই পাবেন) তাই আর ওসব নিয়ে প্যাচাল না পেড়ে বিশ্ববাসির জন্য একদম আনকোড়া নতুন প্রযুক্তি ’আইওয়াচের’ ব্যাপারে কিছু লেখা যাক।
কিছুক্ষন আগে এ্যাপেল প্রধান ‘টিম কুক’ উপস্থাপিত আইওয়াচের লাইভ ভিডিও স্ট্রিমিং দেখে বুঝতে পারলাম, এটা নিঃসন্দেহে একটা অসাধারন ও অভূতপূর্ব প্রযুক্তি হতে যাচ্ছে। পৃথিবীর মানুষ এমনটা এর আগে কখনো দেখেনি। আমরা মনে হয়, এ্যাপেল কর্তৃক প্রর্বতিত আইফোন ও App Store এর ধারনা গত ১ দশকে প্রযুক্তি বিশ্বকে যেমন আমুল বদলে দিয়েছে, তেমনি iWatchও বায়োমেট্রিক আর মানুষের স্বাস্থ্যগত ধারনার জগত আমুল বদলে দেবে।এক আইফোন দিয়ে যেমন গত প্রায় ১ দশক ধরে এ্যাপেল এক চেটিয়া ব্যবসা করে যাচ্ছে, আমার ধারনা iWatch হতে যাচ্ছে এ্যাপেলের সেইরকম আরেকটি পণ্য যেটা দিয়ে তারা আগামী অন্তত আরো ১ দশক চুটিয়ে ব্যবসা করে যাবে।এইরকম আরেকটা পরিধানযোগ্য পন্য এনেছিলো গুগল - তাদের চশমা ‘গুগল গ্লাস’। কিন্তু ওটা মনে হয় প্রায় ফ্লপ একটা প্রজেক্ট ছিলো। কারন বাজারে বা প্রযুক্তি দুনিয়ায় সেটা নিয়ে তেমন একটা মাতামাতি দেখিনি, বাজারেও ছাড়া হয়েছিলো খুবই সীমিত আকারে, যেন গুগলের আরেকটি পরীক্ষামূলক প্রজেক্ট।
বড় আকারে গুগল প্লাস কবে বাজারে আসবে, তা কেউ জানে না। সে হিসেবে এ্যাপেল ওয়াচ অনেক বেশী ম্যাচুউরড একটা পণ্য।

আইওয়াচ বা এ্যাপেল ওয়াচ কি জিনিস?

আইওয়াচ হাত ঘড়ির মতো ছোট্ট একটা ডিভাইস যেটা কবজিতে পড়তে হয় এবং আইফোন ৫ এবং ৬ এর সবগুলো মডেলের সাথে কমপাটিবল। মানে আইফোন ৫/৬ এর সাথে এটা ডেটা সিংক করবে, আইফোনে সংযোগ থাকা ওয়াইফাই এবং জিপিএস ব্যবহার করে ইউজারকে লোকেশন সংক্রান্ত লাইভ তথ্য দিবে। এতে বেশ কিছু এ্যাপ আগে থেকেই ইনসটল করা থাকবে এবং ব্যবহারকারী চাইলে আরো এ্যাপ নিতে পারবেন। চমকপ্রদ ব্যাপার হলো, এই ঘড়িটির নীচে অত্যন্ত শক্তিশালি ও অত্যাধুনিক ৪ টি সুদৃশ্য  ইনফ্রারেড, দৃশ্যমান এলইডি আর ফটো সেন্সর রয়েছে যা দিয়ে মানব দেহের কারডিওভাসকুলার তথ্য (যেমনঃ পাসল রেট, ইত্যাদি) সঠিকভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষন করা সম্ভব।

আইওয়াচ বা এ্যাপেল ওয়াচ দিয়ে কি কি করা যাবে?

আইওয়াচের ফিচার লিষ্ট আদতে মাইল খানেক লম্বা। সাধারন কিছু কাজ যেমন গান শোনা, কল করা, এসএমএস পাঠানো বা ছবি তোলা ছাড়াও অসাধারন কিছু কাজ করা যাবে যেমনঃ আইওয়াচ দিয়ে সকালে মর্নিং ওয়াক বা গাড়ী ড্রাইভ করতে করতে ফেসবুক বা টুইটারে স্ট্যাটাস দিতে পারবেন অথচ আপনাকে জগিং ট্র্যাক বা হাইওয়ে থেকে এক সেকেন্ডের জন্যও দৃষ্টি সরাতে হবে না। আইওয়াচে থাকা ফেসবুকে এ্যাপ দিয়ে Siri এর সাহায্যে আপনি দৌড়াতে দৌড়াতেই স্ট্যাটাস আপডেট করতে পারবেন বা Siri কে দিয়ে মেইল চেক করা বা মিটিং মিনিট রেডি করাসহ অন্য যে কোন কাজ করাতে পারবেন। মানে যে এ্যাপগুলো ব্যবহার করতে আপনাকে এখন পকেট থেকে আইফোন বের করার কষ্টটুুক সহ্য করতে হয়, iWatch আপনার সেটুকু কষ্টও দূর করে দেবে। কবজি মুখের কাছে নিয়ে স্পেশাল এজেন্ট স্টাইলে Siri কে দিয়েই সব কাজ সারতে পারবেন, অথচ আপনার দু হাতের ১০ আংগুল থাকবে সম্পূর্ণ খালি!

সবচেয়ে বড় কথা হলো, আইওয়াচ মানুষের স্বাস্থ্যগত ব্যাপারে পরিসংখ্যান রাখতে বিশেষভাবে দক্ষ। যেমনঃ হার্টবিট এবং রক্তচাপ মাপা, ক্যালোরি বার্ণ হওয়া, এক্সারসাইজ টার্গেট মেইনটেন্ট করা, কত দ্রুত - কত ক্ষন ধরে - কত মাইল দৌড়ানো হয়েছে/হচ্ছে সে হিসাব রাখা ইত্যাদি। এমনকি আপনি ঘড়ির উপর দু আংগুল চেপে ধরে আপনার হার্টবিট ও ব্লাড প্রেশার অন্য এ্যাপল ওয়াচ ব্যবহারকারীির সাথে তো বটেই  এমনকি সামাজিক সাইটগুলোতে শেয়ারও করতে পারবেন।

আগে তো মানুষ ক্যাশ টাকা পকেটে নিয়ে ঘুরতো, তারপর আসলো ক্রেডিট কার্ড এখন ক্রেডিট কার্ড পকেটে নিয়ে ঘোরার দিনও শেষ। পেমেন্ট করুন এ্যাপেল ওয়াচ দিয়ে!

তবে আমি যেটাতে সবচে বেশী অবাক হয়েছি, সেটা হচ্ছে, iWatch এর অভূতপূর্ব চার্জিং প্রযুক্তি। পৃথিবীর আর কোন ইলেকট্রিক পণ্য যে প্রযুক্তি কখনো ব্যবহার করেনি। সেটা হচ্ছে,  wireless recharging technology বা ওয়্যারলেস ব্যাটারি রিচার্জিং প্রযুক্তি! চাজিং দ্রুততর করতে চাইলে ক্যাবলের ব্যবস্থাও আছে। আইওয়াচের নীচের ৪ টি সেন্সরের সাথে চৌম্বকীয় আংটা লাগিয়ে সেটা চার্জ দেযা যাবে।  পুরো ব্যাপারটিই খুব অভিনব ও কৌতুহলদ্দীপক (নীচের চিত্রটি দেখুন)। এ্যাপেলের পরিকল্পনা রয়েছে যে, মোশন, সোলার ও ইনডাকশন পদ্ধতিও ওটাকে চার্জ করানো। মানে আপনি যখন দৌড়াবেন, তখন আপনার শরীর থেকে যে এনার্জি, হিট-টেম্পারেচার বা ক্যালোরি এমিট হবে, সেসব দিয়ে চার্জ করানো এবং/অথবা সোলার পাওয়ার দিয়ে চার্জ করা। তবে  এ্যাপল ওয়াচের একটা বড় সীমাবদ্ধতা হলো, একবার পূর্ণ চার্জ দিলে এর ব্যাটারির স্থায়ীত্ব হবে মাত্র ২৪ ঘন্টা মানে আপনাকে প্রতি রাতেই ঘুমুতে যাবার আগে একে চার্জিংয়ে দিয়ে ঘুমাতে হবে।

ফিচার আর দক্ষতার কথা বাদই দিলাম, শুধু এটুকু বলি যে, আইওয়াচের যৌনাবেদনময়ী নকশা পৃথিবীর যে কোন প্রযুক্তি মনস্ক মানুষকে প্রথম দেখাতেই প্রচন্ডরকম মুগ্ধ করে ছেড়ে দেবে, যেমনটা আমাকে করেছে।
আগামী কয়েক বছরে, অন্য কোম্পানির বানানো আইওয়াচের মতো আরো অনেক আধুনিক পরিধানযোগ্য যন্ত্রপাতি আমরা বাজারে আসতে দেখবো, ইনশাল্লাহ ব্যবহারও করবো, কিন্তু এ্যাপেল সেই নতুন দুনিয়ার অগ্রদূত হয়েই থাকবে, এ্যাজ ইউজুয়াল!
iWatch রিলিজ হবে আর কয়েক মাস পরেই; খুব সম্ভবত ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে। মূল্যঃ সাড়ে তিন শ ইউএস ডলার। সাথে থাকবে চামড়া, ধাতব অথবা প্লাস্টিকের বেল্ট। সমস্যা হলো, এটাকে কেউ আইফোনবিহীন ব্যবহার করতে পারবেন না, মানে এটা ব্যবহার করার সময় জামার পকেটে অবশ্যই আইফোন চালু থাকতে হবে। আপাততঃ আইওয়াচ Watch, Edition  আর ‍Sport - এই তিনটি সংস্করণে পাওয়া যাবে।
এ্যাপেল ওয়াচের আরেকটি দুর্দান্ত ফিচারের কথা না বল্লেই নয়। পুরনো  ভায়াব্রেশন প্রযুক্তিকে এ্যাপল মুটামুটি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এ্যাপল ওয়াচ আপনাকে ইনকামিং কল, ম্যাসেজ এবং এ্যালার্ট দিবে ভায়াব্রেশনের মাধ্যমে, মানে কল বা  ম্যাসেজ আসলে আপনি আপনার হাতে কবজিতে হালকা কাপুনি টের পাবেন। ফলে আপনার ফোনের এলার্ট আপনি ছাড়া দুনিয়ার আর কেউ টেরও পাবে না। এমনকি, জিপিএস নেভিগেশনের সময়  যে দিকে মোড় ঘুরতে হবে,  এ্যাপল ওয়াচ আপনার হাতের সেদিকে ভায়াব্রেট সিমুলেশন পাঠাবে!   পুরনো প্রযুক্তির অভিনব এ ব্যবহারের কথা শুনেই তো আমি মুগ্ধ!

আইফোনের যে মডেলগুলোর সাথে এ্যাপেল ওয়াচ চলবেঃ


এ্যাপল ওয়াচের আরো শ খানেক ছবি আছে এই লিংকেঃ

এ্যাপেল ওয়াচ নিয়ে খুব সম্ভবত এটাই বাংলাতে লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ রিভিউ!

বিনামূল্যে ফেসবুক ব্রাউজ করুন ফ্রি! ফি! ফ্রি!

রাত ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিনামূল্যে ফেসবুক ব্রাউজ !

আগামিকাল থেকে দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা রাত ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিনামূল্যে ফেসবুক ব্রাউজ করতে পারবেন।
পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই অফার চলবে। এর জন্য কোনো রেজিস্ট্রেশন করতে হবে না। তবে এক্ষেত্রে গ্রামীণফোনের যে কোনো একটি প্যাকেজ কিনতে হবে।
রোববার বিকেল ৪টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন গ্রামীণফোনের সিএমও অ্যালান বঙ্কে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গ্রামীণফোন পাঁচ কোটি গ্রাহক অর্জনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে গ্রাহক সংখ্যা চার কোটি ৯০ লাখে পৌঁছেছে। এই লক্ষ্যে সবার জন্য ইন্টারনেট সুবিধা দিতেই এই অফার।
অ্যালান বঙ্কে বলেন, বাংলাদেশে ১১ কোটি মানুষ মোবাইল ব্যবহার করলেও এদের বিরাট একটা অংশ এখনও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে জানে না। এসব গ্রাহকের কাছে ইন্টারনেট সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্যই গ্রামীনফোনের এই প্রচেষ্টা।
সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, গ্রামীণফোনের যে কোনো একটি প্যাকেজ কিনলেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে। সুবিধা ভোগ করা যাবে রাত ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর‌্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে বিদ্যমান প্যাকেজ থেকে কোনো ডাটা চার্জ করা হবে না।
কিন্তু ফেসবুক থেকে কেউ জি-মেইল, ই-মেইল, ইউটিউব বা অন্য কোনো লিঙ্কে প্রবেশ করলে ডাটা চার্জ কাটা যাবে। তবে ফেসবুকে আপ করা ইউটিউবে প্রবেশ করলে কোনো ডাটা চার্জ কাটা যাবে না।
এ ছাড়া এই অফারে থ্রী-জি সুবিধাও পাওয়া যাবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

পেটের মেদ নিয়ে ভাবনা ?? এখনই কমিয়ে ফেলুন !!

পেটের মেদ শরীরের অন্য অংশের মেদের চেয়ে একটু আলাদা। শরীরের অন্য অংশের মেদ সাধারণত চামড়ার নিচে জমে থাকে।তবে পেটের মেদ লিভার, কিডনি ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গের সাথে লেগে জমে থাকে, যা অনেক সময় প্রাণঘাতি হয়ে দেখা দিতে পারে। পেটের মেদের সাথে হার্টের সমস্যা থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস ও অন্যান্য সমস্যার জোরালো সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়।
আমরা অনেকেই পেটের মেদ কমানোর জন্য বেলি স্ট্রোক অর্থাৎ পেটের মাংশ পেশীর ব্যায়াম করে থাকি। এর ফলে পেটের মাংশ পেশীর টোন বা আকৃতি সুন্দর হলেও পেটের মেদ কমাতে তা খুব একটা কাজে দেয় না। পেটের মেদ কমাতে হলে প্রয়োজন পুরো শারীরিক ব্যায়াম।
মনে রাখবেন, ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট হালকা জগিং বা জোরে হাটার পর রক্তে চলমান ফ্যাট শেষ হয়ে দেহে সঞ্চিত ফ্যাট ভাঙতে শুরু করে। তাই এই ৪০ বা ৪৫ মিনিটের পর আপনি যদি ১০ বা ১৫ মিনিট ও জগিং বা জোরে হাঁটতে পারেন, তাহলেই প্রতিদিন একটু একটু করে আপনার জমানো চর্বি কমতে থাকবে।
তবে প্রথম দিনই ৪০-৪৫ মিনিট জগিং শুরু করবেন না। এর ফলে আপনার শরীরে ব্যথা হতে পারে, ফলে আপনি পরবর্তীতে ব্যায়াম করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন। তাই প্রথম দিন ১০ মিনিট, পরের দিন ২০ মিনিট এভাবে সময় বাড়ান এবং ১ ঘণ্টাতে স্থির থাকুন। মনে রাখবেন, অতি দ্রুত ওজন কমানো গেলেও এতে হিতে বিপরিত হতে পারে। ওজন কমানোর মূল মণ্ত্র হল মটিভেসন ও একাগ্রতা।
এখন বলে রাখি, শুধু ব্যায়াম করলেই অনেক সময় মেদ কমে না, এর জন্য আপনাকে খাবার গ্রহণেও সতর্ক হতে হবে। খাবারে প্রচুর পরিমাণে আঁশ জাতীয় খাদ্য যেমন শাক সবজি রাখুন। চর্বি জাতীয় খাবার কম খান। ফাস্ট ফুড খাওয়া বন্ধ করতে হবে।
এতোক্ষণ জানলেন জমানো চর্বি কমানোর কথা। এবার জেনে নিন, যাদের পেটে তেমন মেদ নেই তবে ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে তারা কী করবেন? সম্প্রতি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি রাতে ঘুমাতে যাবার আগে যদি একজন ব্যক্তি মাত্র ১০ মিনিট আস্তে আস্তে হাঁটেন, তবে তার দেহে যে হরমন ও আঞ্জায়েম নিস্রিত হয়, তাতে সারা দিনে খাবারের সাথে গ্রহণ করা সমস্ত অতিরিক্ত চর্বি রক্ত থেকে পরিস্রুত হয়ে যায় এবং দেহে জমতে পারে না। কেবল এই ১০ মিনিট হাঁটার কারণে যে পরিমাণ চর্বি জমতে বাধা পায়, তা যদি আমরা ব্যায়াম এর মাধ্যমে কমাতে চাইতাম, তার জন্য আমাদের ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা এক নাগারে জোরে দৌঁড়াতে হত!
তাই নিয়ম মেনে পরিমিত ব্যায়াম করে গেলে ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করলে পেটের মেদই শুধু নয়, সারা দেহের মেদ কমিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফিগার পেতে পারি।

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | coupon codes